বড় দুধ ও পুদওয়ালি পর্ব -১

 Title: অমৃতার রোজকার জীবন


কলেজের ঘণ্টা বাজতেই অমৃতা তাড়াতাড়ি বেরিয়ে পড়ল। তার ফুল ফিটেড সালোয়ার কামিজে বড় বড় দুধ দুটো দুলছে, পেছনে ভারী পোদ নড়ছে প্রতিটি স্টেপে। রাস্তার লোকেরা তাকিয়ে থাকে, কেউ কেউ হুইসেল মারে। অমৃতা চোখ নামিয়ে রাখে, কিন্তু অভ্যস্ত।  


"অমৃতা! ওই যে!" কলেজের বন্ধু প্রিয়া ডাকল। অমৃতা ঘুরতেই প্রিয়ার চোখ তার বুকে আটকে আছে। "আজকে তোর ব্রা কি আরও টাইট হয়ে গেছে নাকি? দুধ দুটো তো আরও বড় দেখাচ্ছে!"  


অমৃতা অস্বস্তিতে হাসল, "বন্ধ কর প্রিয়া।" কিন্তু সত্যি কথা, তার ৪৪ ডি ডাবল কাপের ব্রাও এখন টাইট লাগছে। গত ছয় মাসে তার শরীর আরও পুষ্ট হয়েছে।  


বাসে ওঠার সময় কন্ডাক্টার সাহায্য করার নাম করে তার পোদে হাত দিয়ে দিল। অমৃতা চেপে গেল। বাসের সিটে বসতেই পাশের যুবকটা ইচ্ছে করে হেলান দিল তার দিকে। অমৃতা জানালার দিকে মুখ ফিরিয়ে নিল।  


**বাড়ি ফিরে**  


মা রান্নাঘরে বলল, "আজ ডাক্তারবাবু ফোন করেছিলেন। তোর শরীরের এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ে কথা বলতে চান।"  


অমৃতা জানত। তার দুধ আর পোদ যেন থামছেই না। প্রতি মাসেই মাপ বাড়ে। "কী করব মা? এগুলো নিজের নিয়ন্ত্রণে নেই," অমৃতা তার ভারী দুধ দুটো হাত দিয়ে সাপোর্ট দিল।  


**রাতে শোবার সময়**  


অমৃতা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের শরীর পরীক্ষা করল। ৪৪-৩৪-৪৮। কলেজের অন্য কারও এমন বডি নেই। সে হাত দিয়ে নিজের দুধ চেপে দেখল, নিপল শক্ত হয়ে উঠল। নিচে তার পোদ এত মাংসল যে, হাত দিয়ে চেপে ধরতে গেলে আঙুল ডেবে যায়।  


সে বিছানায় শুয়ে হাতটা নিচে নিয়ে গেল। তার ভোদা আজ একটু ভেজা ভেজা। কলেজের ক্রাশ রাজের কথা ভেবেই হয়তো। রাজ আজ লাইব্রেরিতে তার পোদের দিকে তাকিয়ে ছিল।  


অমৃতার আঙুল নিজে থেকেই চলে গেল ভোদার ফাঁকে। সে ধীরে ধীরে ঘষতে লাগল। এক হাতে নিজের বাম দুধ চুষছে, অন্য হাত ব্যস্ত ভোদায়। "আহ... রাজ..." সে ফিসফিস করে বলল।  


হঠাৎ দরজা খুলে মা ঢুকলেন। অমৃতা তড়িঘড়ি হাত সরিয়ে নিল। "তুই...?" মায়ের চোখে বিস্ময়।  


"মা, আমি..."  


"না, কিছু বলতে হবে না। তোর বয়স হয়েছে। কিন্তু সাবধানে থাকিস। তোর শরীর... তোর শরীর অনেকেই চাইবে শুধু সেক্সের জন্য।"  


**পরের দিন কলেজে**  


রাজ অমৃতাকে একা পেয়ে বলল, "অমৃতা, তুমি জানো আমি তোমাকে কত পছন্দ করি।" তার হাত অমৃতার পোদে চলে গেল।  


অমৃতা সরে গেল, "না রাজ, এভাবে না।"  


কিন্তু রাজ জিদ ধরল, "শুধু একবার ছুঁয়ে দেখব। তুমি জানো না তুমি কত সেক্সি!" সে জোরে অমৃতাকে ধরে ফেলল।  


অমৃতার শাড়ির ব্লাউজের বোতাম খুলে রাজ তার বিশাল দুধ দুটো বের করে ফেলল। "ওমা! এগুলো কি আসল?" রাজ অবাক হয়ে চুষতে শুরু করল।  


অমৃতা প্রথমে প্রতিবাদ করল, কিন্তু তার শরীর সাড়া দিল। রাজের হাত তার সালোয়ারের ভেতরে ঢুকে গেল। "তোমার ভোদা তো ভেজা," রাজ ফিসফিস করে বলল।  


হঠাৎ শব্দ পেয়ে রাজ সরে গেল। প্রিয়া এসে বলল, "অমৃতা! তুই এখানে কি করছিস?"  


**বাড়ি ফিরে**  


অমৃতার মা ডাক্তারের সাথে কথা বললেন। ডাক্তার পরীক্ষা করে বললেন, "এটা হরমোনাল ইমব্যালান্স। ওষুধ দিচ্ছি, কিন্তু সম্পূর্ণ ঠিক হবে না।"  


অমৃতা জানালার বাইরে তাকিয়ে ভাবল, এই শরীর নিয়ে তার জীবন কতটা জটিল। সবাই তাকে শুধু সেক্স অবজেক্ট হিসাবে দেখে। কেউ কি কখনো তাকে ভালোবেসে দেখবে?  


রাতে আবার সে বিছানায় হাত দেয়। আজ রাজের কথা ভেবে না, সে ভাবে নিজের কথা। নিজের দুধ, নিজের পোদ, নিজের ভোদা - এই নিয়েই তো সে। এই শরীরকে হয়তো সে পছন্দই করতে শুরু করেছে।  

Comments

Popular posts from this blog

স্বামীর সামনে বাবার চুদা খাওয়া পর্ব- ১

জিম ট্রেনারের চুদা খাওয়া

ছাত্রীর মাকে চুদা-পর্ব ১