স্বামীর সামনে বাবার চুদা খাওয়া পর্ব- ১

 **পর্ব ১**  


রাত প্রায় এগারোটা। শুভ্রের শ্বশুরবাড়ির ছাদে বসে সে। নিচে রান্নাঘর থেকে ভেসে আসছে তার স্ত্রী তানিয়ার গলা—"বাবা, একটু জল দেবে?" শুভ্রের শ্বশুর অমিত জল নিয়ে রান্নাঘরে ঢুকলেন। দরজাটা ঠিক মতো বন্ধ হয়নি, ফাঁক থেকে দেখা যাচ্ছে তানিয়ার পোঁদ টাইট সালোয়ার কাপড়ে আটকে থাকা অবস্থায়। অমিত জল দিতে গিয়ে একটু বেশি কাছেই চলে গেলেন। শুভ্র দেখল, অমিতের হাতটা তানিয়ার কোমরে এক সেকেন্ডের জন্য লেগে থাকল। তানিয়া সরে দাঁড়াল না।  


শুভ্রের গলা শুকিয়ে গেল। সে জানালার দিকে আরও কাছাকাছি সরে এল। রান্নাঘরে অমিত বললেন, "এত রাত পর্যন্ত রান্না করিস কেন? আমি তো বলেছি, বাইরে থেকে কিছু আনিয়ে নেব।" তানিয়া হাসল, "আপনি তো জানেন, বাইরের খাবার পছন্দ না আমার।" অমিতের চোখটা নিচে নামল তানিয়ার বুকের দিকে। তার নীল ব্লাউজের ভেতর থেকে সাদা ব্রার স্ট্র্যাপ একটু বেরিয়ে আছে। শুভ্রের হাতের মুঠো শক্ত হয়ে গেল।  


তানিয়া বলল, "বাবা, তুমি গিয়ে বসো, আমি পার্সাদটা নিয়ে আসছি।" অমিত বেরিয়ে গেলেন, কিন্তু দরজার ফাঁক দিয়ে শুভ্র দেখল, তিনি একবার পেছন ফিরে তানিয়ার দিকে তাকালেন। ঠিক যেন পোঁদের দিকে।  


শুভ্র নিচে নেমে লিভিং রুমে গেল। অমিত সোফায় বসে টিভি দেখছিলেন। তানিয়া পার্সাদ নিয়ে এল। শুভ্রের দিকে না তাকিয়ে সে অমিতের পাশে বসল। খুব কাছাকাছি। শুভ্র লক্ষ্য করল, তানিয়ার হাঁটু অমিতের থাই ছুঁয়ে আছে। অমিত সেটা সরালেন না।  


পার্সাদ খাওয়া শেষ হলে তানিয়া বলল, "শুভ্র, তুমি গোসল সেরে নাও। আমি বাবাকে একটু মালিশ করে দিই, তাঁর কোমরে ব্যথা।" শুভ্র চুপ করে রইল। ওরা দুইজন তানিয়ার ঘরে চলে গেল। শুভ্র গোসল করতে গেল, কিন্তু তার মনটা ওই ঘরেই।  


গোসল শেষ করে সে হালকা করে ঘরের দরজার কাছে গেল। দরজা ঠিক মতো বন্ধ নেই। ভেতর থেকে অমিতের গলা ভেসে আসছে—"আজকে একটু জোর দিয়ে দিবি?" তানিয়া কাঁপা গলায় বলল, "হ্যাঁ, বাবা।" এরপর নড়াচড়ার শব্দ। শুভ্র ধীরে ধীরে ফাঁক দিয়ে দেখল, অমিত চাদরে শুয়ে আছেন, তানিয়া তাঁর পায়ের দিকে বসে থাই মালিশ করছে। কিন্তু অমিতের হাতটা তানিয়ার পোঁদে। আস্তে আস্তে ঘষছে। তানিয়া নড়ছে না।  


অমিত বললেন, "তুই আজকাল খুব সুন্দর দেখতে হচ্ছিস।" তানিয়া মাথা নিচু করে রাখল, "বাবা, এভাবে বলবে না।" অমিতের হাতটা এবার সামনের দিকে এল, তানিয়ার কোমরের বেল্টের দিকে। শুভ্রের শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিল। অমিতের আঙুল বেল্টের ফাঁক দিয়ে ভেতরে ঢুকল। তানিয়া নড়েচড়ে বসল, কিন্তু থামাল না।  


"বাবা, এটা..." তানিয়ার গলা কাঁপছিল। অমিত বললেন, "তুই চাইছিস না? আমি তো দেখতে পাচ্ছি।" তাঁর হাতটা আরও ভেতরে ঢুকল। তানিয়া মৃদু শব্দ করল। শুভ্র দেখল, অমিতের আঙুল তানিয়ার ভোদার ওপর ঘষছে। তানিয়ার মুখ লাল হয়ে গেছে, চোখ বুজে ফেলেছে।  


অমিত ধীরে ধীরে তানিয়াকে নিজের দিকে টানলেন। তানিয়া পড়ে গেল তাঁর বুকের ওপর। অমিতের হাত তানিয়ার সালোয়ার খুলে ফেলল। ভেতরে সাদা প্যান্টি। শুভ্রের মুখ শুকিয়ে গেল। অমিত প্যান্টির ওপর দিয়েই আঙুল চালাতে লাগলেন। তানিয়া কাঁপছিল।  


"বাবা... ওই ঘরে শুভ্র..." তানিয়া ফিসফিস করল। অমিত বললেন, "সে গোসল করছে। তুই চুপ করে থাক।" তাঁর হাত প্যান্টির ভেতরে ঢুকল। তানিয়া মাথা নিচু করে রাখল। অমিতের আঙুল ভোদার ভেতরে প্রবেশ করল। তানিয়ার ঠোঁট কামড়ে ধরা। শুভ্র দেখল, তার স্ত্রীর মুখে যন্ত্রণার ভাব নেই, বরং... সে মজা পাচ্ছে।  


অমিত তানিয়াকে চিত করে শুইয়ে দিলেন। নিজে উঠে বসে তানিয়ার প্যান্টি খুলে ফেললেন। তানিয়ার ভোদা ভেজা। শুভ্রের ধোন শক্ত হয়ে গেল। অমিত নিজের পাজামা খুলে ফেললেন। তাঁর ধোন বেরিয়ে পড়ল, পুরো শক্ত। তানিয়া চোখ বন্ধ করে রইল।  


অমিত তানিয়ার পা দুটি ছড়িয়ে দিয়ে নিজে মধ্যে বসে পড়লেন। ধোনটা তানিয়ার ভোদার সামনে ঘষতে লাগলেন। তানিয়া নিশ্বাস বন্ধ করে রাখল। অমিত বললেন, "আজকে দিবি?" তানিয়া মাথা নাড়ল, "বাবা... তুমি যা চাইছো..."  


অমিত ধোনটা ভোদার মধ্যে ঢুকিয়ে দিলেন। তানিয়া চিৎকার করতে যাচ্ছিল, মুখ চেপে ধরলেন অমিত। শুভ্র দেখল, তার স্ত্রীর ভোদার ভেতর শ্বশুরের ধোন ঢুকে যাচ্ছে আস্তে আস্তে। তানিয়ার চোখে জল। অমিত বললেন, "আস্তে আস্তে নিবি।"  


তানিয়া নড়তে শুরু করল। অমিতের ধোন পুরোটা ভেতরে চলে গেল। শুভ্রের হাতের মুঠোতে নখ বসে গেল। সে দেখতে লাগল, কীভাবে তার শ্বশুর তার বউকে চুদছেন। তানিয়ার মুখে কষ্ট আর মজা মিশে যাচ্ছে। অমিত জোরে জোরে ঠেলছেন। তানিয়ার পোঁদ থেকে আওয়াজ আসছে। ভোদা ভেজা হয়ে যাচ্ছে আরও।  


অমিতের শ্বাস দ্রুত হচ্ছিল। তিনি তানিয়ার দুধ হাত দিয়ে চেপে ধরলেন। তানিয়া আর চুপ করে থাকতে পারল না, "আহ... বাবা...!" অমিত জোরে ঠেলা দিলেন। শুভ্র দেখল, তার বউর ভোদা থেকে শ্বশুরের ধোন বেরিয়ে আসছে, ভেতরে ঢুকছে।  


অমিতের গলা শুকিয়ে গেল। তিনি বললেন, "আমি... আমি আসছি..." তানিয়া চোখ বন্ধ করে রইল। অমিত কয়েকটা জোরে ঠেলা দিলেন। তারপর গভীর একটা শব্দ করে তানিয়ার ভোদার ভেতরেই রিলিজ করে দিলেন। তানিয়ার মুখে একটা কাতরানি।  


শুভ্র আর দাঁড়াতে পারল না। সে চুপচাপ সরে গেল। তার বুক ধড়ফড় করছিল। শয্যায় শুয়ে সে ভাবল, কী দেখল সে। তার বউ... তার শ্বশুরের সঙ্গে।  


রাত বাড়তে লাগল। তানিয়া ঘরে ঢুকল। শুভ্র চোখ বন্ধ করে ভান করল ঘুমাচ্ছে। তানিয়া গোসল করে এসেছে। তার গায়ে এখনও ভেজা ভাব। সে বিছানায় শুয়ে পড়ল। শুভ্রের দিকে পিঠ করে।  


শুভ্রের মনে হচ্ছিল, সে এখনও তানিয়ার গায়ে অমিতের স্পর্শ টের পাচ্ছে...  


(চলবে...)

Comments

Popular posts from this blog

জিম ট্রেনারের চুদা খাওয়া

ছাত্রীর মাকে চুদা-পর্ব ১